
বাংলাদেশের সেরা ২০ টি পর্যটন স্পটসমূহ | Top 20 tourist place in bangladesh
Top 20 tourist place in bangladesh
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি আমাদের এই প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। সবুজ পাহাড়, নীল সমুদ্র, গহীন বন আর ঐতিহাসিক স্থাপত্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধন এখানে দেখা যায়। আপনি যদি ভ্রমণের নেশায় মত্ত থাকেন, তবে বাংলাদেশের প্রতিটি কোণ আপনাকে মুগ্ধ করবেই।
আজ আমরা বাংলাদেশের সেরা ২০টি পর্যটন স্পট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, যা আপনার পরবর্তী ভ্রমণের পরিকল্পনা করতে সাহায্য করবে।

অবস্থান: কক্সবাজার জেলা।
আকর্ষণ: ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিশ্বের দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন বালুকাময় সমুদ্র সৈকত এটি। নীল জলরাশি আর ঢেউয়ের গর্জন আপনাকে এক নিমিষেই প্রশান্তি দেবে। ইনানী সৈকতের প্রবাল পাথর, হিমছড়ির ঝরনা এবং মেরিন ড্রাইভের দীর্ঘ সড়ক এই ভ্রমণের মূল আকর্ষণ। সূর্যাস্তের সময় আকাশ ও সমুদ্রের রঙের খেলা দেখার অভিজ্ঞতা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে এসি ও নন-এসি বাসে সরাসরি যাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেন (কক্সবাজার এক্সপ্রেস) এবং বিমানে করে অত্যন্ত আরামদায়কভাবে কক্সবাজার পৌঁছানো সম্ভব।
০২. সেন্টমার্টিন দ্বীপ (St. Martin’s Island)
অবস্থান: টেকনাফ, কক্সবাজার।
আকর্ষণ: বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যা ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’ নামেও পরিচিত। স্বচ্ছ নীল পানি এবং তটে ছড়িয়ে থাকা প্রবাল এই দ্বীপকে করেছে অনন্য। বিশেষ করে ছেঁড়াদ্বীপের সৌন্দর্য এবং রাতে নীল সাগরের গর্জন শোনার জন্য এটি সেরা জায়গা। ডাবের মিষ্টি পানি এবং সামুদ্রিক মাছের বারবিকিউ পর্যটকদের অন্যতম প্রিয় কাজ।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাসে টেকনাফ গিয়ে সেখান থেকে জাহাজে (কেয়ারি সিন্দাবাদ বা গ্রীন লাইন) করে সেন্টমার্টিন যেতে হয়। শীতকালে সাধারণত জাহাজ চলাচল করে।
০৩. সুন্দরবন (The Sundarbans)
অবস্থান: খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট।
আকর্ষণ: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। গহীন বনের ভেতরে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ এবং কুমিরের দেখা পাওয়ার রোমাঞ্চ এখানে অতুলনীয়। কটকা, হিরণ পয়েন্ট এবং দুবলার চর পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বনের সরু খাল দিয়ে ছোট নৌকায় ঘুরে বেড়ানো জীবনের অন্যতম সেরা স্মৃতি হয়ে থাকবে।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে খুলনা বা মোংলা হয়ে লঞ্চ বা ক্রুজ শিপের মাধ্যমে সুন্দরবন ভ্রমণ করতে হয়। সাধারণত ৩ দিন ২ রাতের প্যাকেজ ট্যুরগুলোতে নিরাপত্তা ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা ভালো থাকে।

অবস্থান: রাঙ্গামাটি (যাওয়ার সহজ পথ খাগড়াছড়ি দিয়ে)।
আকর্ষণ: সাজেককে বলা হয় “মেঘের রাজ্য”। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে সাদা মেঘের ভেলা স্পর্শ করার অনুভূতি এখানে পাওয়া যায়। কংলাক পাহাড় থেকে পুরো সাজেকের ভিউ দেখা যায়। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট ছোট কটেজগুলো আপনাকে এক কাল্পনিক জগতের স্বাদ দেবে।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাসে প্রথমে খাগড়াছড়ি যেতে হয়। সেখান থেকে জিপ বা “চাঁদের গাড়ি” রিজার্ভ করে দীঘিনালা হয়ে সাজেক পৌঁছাতে হয়।
০৫. নীলগিরি ও নীলাচল (Nilgiri & Nilachol)
অবস্থান: বান্দরবান।
আকর্ষণ: নীলগিরি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২২০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত একটি পর্যটন কেন্দ্র। এখান থেকে আপনি মেঘের ওপর দিয়ে হাঁটতে পারবেন। অন্যদিকে, নীলাচল থেকে পুরো বান্দরবান শহর দেখা যায়। এই দুটি জায়গায় দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয় দেখা এক স্বর্গীয় দৃশ্য তৈরি করে।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান শহর। শহর থেকে নীলগিরি যাওয়ার জন্য জিপ বা চান্দের গাড়ি ভাড়া করতে হয়। পথিমধ্যে শৈলপ্রপাত ঝরনা এবং চিম্বুক পাহাড় দেখা যায়।
০৬. টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor)
অবস্থান: তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ।
আকর্ষণ: বর্ষাকালে এই হাওর এক বিশাল সাগরের রূপ নেয়। নীল পানি আর মেঘালয়ের পাহাড়ের দৃশ্য আপনাকে বিমোহিত করবে। একটি আধুনিক হাউসবোটে (নৌকা) রাত কাটানো, স্বচ্ছ পানিতে গোসল করা এবং ওয়াচ টাওয়ার থেকে হাওরের বিশালতা দেখা এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাসে সুনামগঞ্জ যেতে হবে। সেখান থেকে সিএনজি বা বাইকে করে সাহেব বাজার বা তাহিরপুর ঘাট। ঘাট থেকে ট্রলার বা প্রিমিয়াম হাউসবোট ভাড়া করা যায়।
০৭. শ্রীমঙ্গল ও চা বাগান (Srimangal)
অবস্থান: মৌলভীবাজার।
আকর্ষণ: বাংলাদেশের ‘চায়ের রাজধানী’। মাইলের পর মাইল চা বাগানের সবুজ সৌন্দর্য পর্যটকদের চোখ জুড়িয়ে দেয়। এখানকার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক এবং নীলকণ্ঠ কেবিনের বিখ্যাত সাত রঙের চা অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। শীতকালে শ্রীমঙ্গলের শান্ত প্রকৃতি এক মায়াবী রূপ ধারণ করে।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে সরাসরি শ্রীমঙ্গল যাওয়া যায়। শ্রীমঙ্গল স্টেশনে নামলে পুরো শহর এবং চা বাগান আপনার হাতের নাগালে।

অবস্থান: গোয়াইনঘাট, সিলেট।
আকর্ষণ: এটি বাংলাদেশের একমাত্র এবং বিশ্বের বিরল মিঠাপানির জলাবন। বর্ষাকালে যখন বনের ভেতর গাছগুলো অর্ধেক পানিতে ডুবে থাকে, তখন ছোট ডিঙি নৌকায় বনের মাঝ দিয়ে ঘুরে বেড়ানো আপনাকে আমাজনের ফিল দেবে। এখানকার শান্ত পরিবেশ এবং পাখিদের কলকাকলি মন ভালো করে দেয়।
যাতায়াত: সিলেট শহর থেকে সিএনজি বা লেগুনায় করে মোটরঘাট যেতে হয়। সেখান থেকে পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত নৌকা ভাড়া করে বনের ভেতরে প্রবেশ করতে হয়।
০৯. জাফলং (Jaflong)
অবস্থান: সিলেট।
আকর্ষণ: খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং। পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ জল আর পাথর সংগ্রহের দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ওপারে ভারতের মেঘালয়ের ঝুলন্ত ব্রিজ এবং ঝরনা স্পষ্ট দেখা যায়। এছাড়া এখানকার খাসিয়া পল্লি এবং পানের বাগান ভ্রমণকে পূর্ণতা দেয়।
যাতায়াত: সিলেট শহর থেকে বাস বা মাইক্রোবাসে করে প্রায় ২ ঘণ্টার পথ। রাস্তা এখন বেশ উন্নত।
১০. বিছনাকান্দি (Bichanakandi)
অবস্থান: সিলেট।
আকর্ষণ: মেঘালয় পাহাড়ের ঝরনাধারা থেকে বয়ে আসা পানি আর পাথরের বিছানা এই স্পটের নাম দিয়েছে বিছনাকান্দি। বর্ষাকালে এখানে পর্যটকদের ঢল নামে কারণ তখন পাহাড়ের ওপর থেকে সাদা মেঘ নেমে আসে এবং ঝরনার বেগ বাড়ে। এটি সিলেটের সবচেয়ে সুন্দর স্পটগুলোর মধ্যে একটি।
যাতায়াত: সিলেট শহর থেকে হাদারপার ঘাট পর্যন্ত সিএনজি বা লেগুনায় যেতে হবে। সেখান থেকে নৌকা ভাড়া করে বিছনাকান্দি যেতে হয়।
১১. কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত (Kuakata)
অবস্থান: পটুয়াখালী।
আকর্ষণ: কুয়াকাটা “সাগর কন্যা” নামে পরিচিত। এটি বিশ্বের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে একই সাথে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখা যায়। এখানকার গঙ্গামতি জঙ্গল, লাল কাঁকড়ার দ্বীপ এবং ঐতিহাসিক রাখাইন পল্লী পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে পদ্মা সেতু হয়ে কুয়াকাটা যাওয়া যায়। এছাড়া সদরঘাট থেকে লঞ্চে পটুয়াখালী হয়ে বাসে কুয়াকাটা যাওয়া রোমাঞ্চকর।
১২. লালবাগ কেল্লা (Lalbagh Fort)
অবস্থান: পুরান ঢাকা।
আকর্ষণ: এটি মুঘল স্থাপত্যের এক অপূর্ব নিদর্শন। ১৬৭৮ সালে শাহজাদা মুহাম্মদ আজম এটি নির্মাণ শুরু করেছিলেন। কেল্লার ভেতরে পরী বিবির মাজার, দরবার হল এবং হাম্মামখানা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এটি ঢাকার ইতিহাসের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
যাতায়াত: ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে রিকশা, বাস বা সিএনজিতে করে লালবাগ যাওয়া সম্ভব।
১৩. ষাট গম্বুজ মসজিদ (Sixty Dome Mosque)
অবস্থান: বাগেরহাট।
আকর্ষণ: ১৫শ শতাব্দীতে নির্মিত এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ এবং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। তুর্কি স্থাপত্য রীতিতে তৈরি এই মসজিদের গম্বুজ সংখ্যা ৮১টি (সহায়কসহ)। এর দেয়াল এবং কারুকাজ মুসলিম ঐতিহ্যের পরিচয় দেয়।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে বাগেরহাট যাওয়া যায়। অথবা খুলনা থেকে বাসে ১ ঘণ্টার পথ।
১৪. রাঙ্গামাটি ঝুলন্ত সেতু ও কাপ্তাই লেক
অবস্থান: রাঙ্গামাটি।
আকর্ষণ: কাপ্তাই লেকের নীল জলরাশি আর পাহাড়ের মিতালী পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। লেকের ওপর দিয়ে ঝুলন্ত ব্রিজটি রাঙ্গামাটির প্রতীক। বোট ভাড়া করে লেকের মাঝখানে শুভলং ঝরনা এবং পেদা টিং টিং রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবার খাওয়ার আনন্দই আলাদা।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে সরাসরি এসি বা নন-এসি বাসে রাঙ্গামাটি যাওয়া যায়। শহর থেকে অটোরিকশায় পর্যটন কমপ্লেক্স যেতে হয়।
১৫. কান্তজিউ মন্দির (Kantajew Temple)
অবস্থান: দিনাজপুর।
আকর্ষণ: ১৭৫২ সালে নির্মিত এই মন্দিরটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর পোড়ামাটির অলংকরণসমৃদ্ধ স্থাপনা। মন্দিরের প্রতিটি দেয়ালে টেরাকোটার মাধ্যমে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতের কাহিনী খোদাই করা আছে।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে দিনাজপুর। সেখান থেকে সিএনজি বা অটোতে করে কাহারোল উপজেলায় এই মন্দিরে যেতে হয়।

অবস্থান: থানচি, বান্দরবান।
আকর্ষণ: একে বলা হয় “বাংলাদেশের নায়াগ্রা”। এটি একটি প্রাকৃতিক ও বুনো সৌন্দর্যমন্ডিত জলপ্রপাত। পাহাড়ের সরু পথ এবং সাঙ্গু নদীর খরস্রোতা রূপ পেরিয়ে এখানে পৌঁছাতে হয়। অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষের জন্য এটি এক স্বপ্নরাজ্য।
যাতায়াত: বান্দরবান থেকে থানচি হয়ে রেমাক্রি পর্যন্ত নৌকা। সেখান থেকে প্রায় ২-৩ ঘণ্টা পাহাড়ের কিনারে হেঁটে নাফাখুম পৌঁছাতে হয়।
১৭. মহাস্থানগড় (Mahasthangarh)
অবস্থান: বগুড়া।
আকর্ষণ: এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ। এখানকার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, জাদুঘর এবং বেহুলার বাসর ঘর পর্যটকদের ইতিহাসের গভীরে নিয়ে যায়। বৌদ্ধ এবং হিন্দু সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থল এটি।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী বাসে বগুড়া। বগুড়া শহর থেকে মাত্র ১৩ কিমি দূরে অবস্থিত এই স্পটে সিএনজিতে যাওয়া যায়।
১৮. সোনারগাঁও পানাম সিটি (Panam City)
অবস্থান: নারায়ণগঞ্জ।
আকর্ষণ: এটি এক ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন শহর, যা “হারানো নগরী” নামে পরিচিত। মুঘল আমল এবং ব্রিটিশ আমলের স্থাপত্যের এক মিশ্র রূপ এখানে দেখা যায়। এছাড়া এখানকার লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর এবং বড় সর্দার বাড়ি পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয়।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে বাসে মোগড়াপাড়া মোড়। সেখান থেকে রিকশা বা অটোতে পানাম সিটি।
১৯. আহসান মঞ্জিল (Ahsan Manzil)
অবস্থান: সদরঘাট, ঢাকা।
আকর্ষণ: ঢাকার নবাবদের আবাসস্থল ছিল এই রাজকীয় প্রাসাদ। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই গোলাপী ভবনটি তৎকালীন নবাবী আমলের জৌলুস স্মরণ করিয়ে দেয়। এর বিশাল সিঁড়ি এবং মিউজিয়াম অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
যাতায়াত: ঢাকার যেকোনো স্থান থেকে সদরঘাটগামী বাসে গিয়ে সেখান থেকে রিকশায় মঞ্জিল পৌঁছানো যায়।
২০. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (Somapura Mahavihara)
অবস্থান: নওগাঁ।
আকর্ষণ: এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ বিহার। পাল বংশীয় রাজা ধর্মপাল এটি নির্মাণ করেন। এর বিশালকার স্থাপত্য এবং পোড়ামাটির ফলকগুলো আমাদের হাজার বছরের প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য দেয়।
যাতায়াত: ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে জয়পুরহাট অথবা নওগাঁ। সেখান থেকে সিএনজিতে করে পাহাড়পুর যাওয়া যায়।
ভ্রমণ সহায়িকা ও টিপস
📅 সেরা সময়: বাংলাদেশ ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হলো অক্টোবর থেকে মার্চ মাস। তবে পাহাড়ের ঝরনা এবং হাওরের উত্তাল রূপ উপভোগ করতে বর্ষাকালে ভ্রমণ করা সবচেয়ে ভালো।
⚠️ সতর্কতা: ভ্রমণের সময় প্লাস্টিক বা আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন। আমাদের প্রকৃতি রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই। এছাড়া স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল থাকুন।
আপনার মতামত আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান!
আমাদের এই লেখা নিয়ে আপনার কোনো প্রশ্ন, পরামর্শ বা জিজ্ঞাসা থাকলে নিচের কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান। নির্ভুল এবং তথ্যবহুল গাইডলাইন দিয়ে আপনাকে সহায়তা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা প্রতিটি মন্তব্যের দ্রুত এবং সঠিক উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি।
শিক্ষা, চাকরি, ক্যারিয়ার, লাইফস্টাইল ও প্রযুক্তিসহ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় সব তথ্য এক জায়গায় পেতে আমাদের ➜ ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

আমি রাফসান রাসেল, গাইড বাংলা ডট কম-এর প্রতিষ্ঠাতা ও লেখক। আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং ও SEO বিশেষজ্ঞ এবং পেশাগত কাজের পাশাপাশি টুকটাক ব্লগিং করতে ভালোবাসি।
গাইড বাংলার প্রতিটি পোস্ট তৈরি করা হয় পাঠকের প্রয়োজন ও সুবিধাকে কেন্দ্রে রেখে। আমি বিশ্বাস করি, তথ্যের প্রাপ্যতা এবং সহজবোধ্য ব্যাখ্যা মানুষের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনকে আরও উন্নত করতে পারে।
আমার উদ্দেশ্য হলো গাইড বাংলাকে এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করা, যেখানে পাঠকরা কোনো জটিল বিষয়ের সহজ সমাধান এবং বাস্তবসম্মত পরামর্শ পেতে পারেন। আশা করি আমার প্রতিটি লেখা পাঠকের দৈনন্দিন জীবনে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।







